“আজ কোনপথে” মাফরূহা বেগম ক্ষমা করো আর ভালোবাসো সবে এ ছিল নবীর বানী আজ কোনপথে চলেছে মানুষ ভূলে সে বারতা খানি প্রেমহীন হয়ে মানুষ যে আজ জ্বলে ক্রোধে আর রোষে
তুমি বললে তাই মাফরূহা বেগম তুমি বললে তাই কলম ধরলাম বড় অসময়। কাব্যেরা কবেই নিয়েছে ছুটি ছন্দের গতিধারা সব গেছে টুটি জীবন এখন নীরস গদ্যময়। তুমি ডাকলে তাই সাড়া দিয়ে
তব বানী মাফরূহা বেগম তোমারে দেখিনি তবু শুনেছি তোমার বানী, ডেকেছ সকলে আলোর পথে পেয়েছি বারতাখানি। বিধি নিষেধের সেই সে বারতা দূর করে সব ভূল জটিলতা সত্যের পথে ডেকে নেয়
“হে প্রিয় নবী” মাফরূহা বেগম হে প্রিয় নবী, হে মোহাম্মদ রসুল(সাঃ) তুমি যে নূরের নবী তুমি যে অতুল, এনেছিলে সাথে করে অফুরান আলো এ ধরা যখন ছিল আধারেতে কালো। অপার
“ভবের ঘাটে নাও ভিড়ায়া” মাফরূহা বেগম, লন্ডন থেকে ভবের ঘাটে নাও ভিড়ায়া আমি আছি তোমারই আশায় প্রভূ গো, সঙ্গের সাথী আমার কেহ নাই। দুদিনের এই খেলাঘরে ডুবছি নানা পাপে ডাকছি
“স্বাগতম, সকালের আলো” মাফরূহা বেগম কি স্নিগ্ধ নির্মল এই সকালের আলো মনেতে একরাশ পবিত্রতা ছড়ালো। এখনো দূরাকাশে জাগে চাঁদের রেখা নীল চাঁদোয়ায় যেন স্বর্ণখন্ড আঁকা। বাতাসে সুকোমল শীতের পরশ জাগে
“প্রভূর নাম” মাফরূহা বেগম দিবানিশি স্মরি প্রভূ তোমার নামখানি যে নামেতে সব প্রশান্তি মনে দেয় আনি। যে নামখানি জপছে সবে সারা জগৎ জুড়ে আকাশ সাগর যে নামেতে গাইছে সূরে সূরে।
“কেমনে দেব পাড়ি” মাফরূহা বেগম সামনে আমার অথৈ সাগর কেমনে দেব পাড়ি দয়াল আমার প্রভূর নামে হালটি একা ধরি। বিশাল সাগর যায় যে বয়ে বিপুল জলরাশি, কেমনে আমি পার যে
“স্বাগতম, সকালের আলো” মাফরূহা বেগম কি স্নিগ্ধ নির্মল এই সকালের আলো মনেতে একরাশ পবিত্রতা ছড়ালো। এখনো দূরাকাশে জাগে চাঁদের রেখা নীল চাঁদোয়ায় যেন স্বর্ণখন্ড আঁকা। বাতাসে সুকোমল শীতের পরশ জাগে
“স্বাগতম, সকালের আলো” মাফরূহা বেগম কি স্নিগ্ধ নির্মল এই সকালের আলো মনেতে একরাশ পবিত্রতা ছড়ালো। এখনো দূরাকাশে জাগে চাঁদের