সময় এসেছে এবার এদের ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার যারা বিগত ১৫ বছর যাবৎ হাসিনাকে মিসডগাইড করেছে। এদের অতি উৎসায়ী কর্মকান্ডের কারনেই কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের নামে নিরপরাধ জামাতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে শহীদ করা হয়েছে! গুম করা হয়েছে জামাত-বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীকে। শুধু তাই নয়, এদের কারনেই ঘটানো হয় ৫-মে’র শাপলা চত্বরের নারকীয় হত্যাযজ্ঞ!! হাসানুল হক ইনু, রাশেদ কান মেনন, দিলীপ বড়ুয়া, মুনতাসির মামুন, শাহরিয়ার কবির, কুখ্যাত বিচারপতি মানিক, জাফর ইকবাল গংসহ যারাই জড়িত ছিল আগামীতে নির্বাচিত সরকারের প্রতি আহ্বান থাকবে এদেরকে অতি দ্রুত বিচারের আওতায় নিয়ে আসা। এরা যেন কোনভাবেই পালাতে না পারে, সেটা এই মুহূর্তে নিশ্চিত করা। পাশাপাশি যেসকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে সমাজে, রাষ্ট্রে বিভাজন তৈরি করেছে। বিশেষ করে টিভি টকশো’র নামে সম্মানিত আলেমগণকে অতিথি হিসেবে ষ্টুডিও’তে এনে অসম্মান করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবী জানাচ্ছি। লক্ষণীয় বিষয় হলো- পরিস্থিতি বুঝে এসকল মিডিয়া ইতিমধ্যেই তাদের রুপ পাল্টিয়ে রাতারাতি বিএনপি-জামাতপন্থী হয়ে গিয়েছে। অথচ ৩ দিন আগেও তারা খুনি হাসিনার পদলেহন করে সংবাদ প্রচার করেছে। আশা করি, পরবর্তী সরকার এই বিষয়গুলো ভেবে দেখবেন, বিগত ১৫ বছর তারা কেন এবং কি উদ্দেশ্যে মিথ্যা তথ্য বা সংবাদ পরিবেশন করল? বিশেষ করে, নাইমুল ইসলাম খান, শ্যামল দত্তদের মত আওয়ামী দালালদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে।
আর একটি অতি জন-গুরুত্ব বিষয় ছিল সেটা এখন পর্যন্ত কোন দল বা নেতৃবৃন্দের বক্তব্যে উঠে আসেনি। অথচ এটাই সবার বক্তব্যের মধ্যে তুলে ধরা উচিত ছিল বলে আমি মনে করি। সেটা হলো দ্রব্যমূল্য নিয়ে কারসাজি। অর্থাৎ বিগত ১৫ বছরে এমন কোন নিত্যপণ্য নেই, যেটা নিয়ে সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানো হয়নি। দ্রব্যমূল্যের এই উর্ধ্বগতি আপামর জন-সাধারণকে বিষিয়ে তুলেছে। সময় এসেছে দেশব্যাপী সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদেরকে চিহ্নিত করে তাদের কালো হাত ভেঙ্গে দেওয়া। এই সব রক্তচোষাদের কোন দল নেই, মানবতা নেই। কাজেই এদেরকে ছাড় দেওয়ার নূন্যতম কোন সুযোগ নেই। এই সিন্ডিকেটের বিষয়টি জাতীয় নেতৃবৃন্দের অবশ্যই জাতির সামনে পরিস্কার করা উচিত। কারন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষদের সরকারের নিকট ব্যক্তিগত কোন চাওয়া পাওয়া থাকে না, তারা শুধু আশা করে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকুক। আর কখনোই যেন এগুলো সবার ক্রয়-ক্ষমতার বাইরে চলে না যায় কিংবা কোন অজুহাতেই যেন রক্তচোষা সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিতে না পারে। এজন্য আমি সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের প্রতিও বিনীত আহ্বান জানাবো আগামীতে আপনারা যে কোন ধরনের সিন্ডিকেট করা থেকে বিরত থাকুন, দেশের মানুষকে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি থেকে মুক্তি দিন। তবেই আমরা ক্ষুধা এবং দারিদ্র্যমুক্ত আলোকিত নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারব ইনশাআল্লাহ।