বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সভাপতি হলেন ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার। সংস্থাটির ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান এবং ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান রোমো রউফ চৌধুরী।
সোমবার বিএবির সাধারণ সভায় তাদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়।
আবদুল হাই সরকার সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার শেরনগর গ্রামের মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭০ সালে স্নাতকোত্তর (এমকম) সম্পন্ন করেন। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যে সম্পৃক্ত হয়ে একজন শিল্পপতি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তার আন্তরিকতা ও নেতৃত্বে গড়ে ওঠে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ব্যবসায়িক কংগ্লোমারেট পূর্বাণী গ্রুপ।
এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক চেয়ারম্যান (বিটিএমএ); বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সহসভাপতি এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সাবেক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (আইইউবি) অ্যাডুকেশন, সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড কালচারাল ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্টের (ইএসটিসিডিটি) সাবেক চেয়ারম্যান। ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি ঢাকা ও চট্টগ্রামের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য।
আবদুল হাই সরকার বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইস ইনস্টিটিউটের (বিইআই) ট্রাস্টি বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং লিভারপুল, ইউকেভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল কটন অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সহযোগী পরিচালক।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বেলকুচি-চৌহালীবাসীর (সিরাজগঞ্জ-০৫) পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটি, রাজশাহী-এর সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম।
উল্লেখ্য, এর আগে বিএবির সভাপতি ছিলেন নজরুল ইসলাম মজুমদার। সরকার পরিবর্তনের পর নজরুল ইসলাম মজুমদারকে এক্সিম ব্যাংকের পরিচালক ও চেয়ারম্যান পদ থেকে সরিয়ে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে বিএবির চেয়ারম্যান পদও হারান তিনি।
২০০৮ সালের জানুয়ারি থেকে টানা বিএবির চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। যদিও বিএবির সংঘ স্মারক অনুযায়ী, এক কমিটির মেয়াদ তিন বছর। ১৯৯৩ সালে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর চেয়ারম্যান পদে একজন টানা পাঁচ বছর ছিলেন।